The Travails Of Economic Growth

Sirisha Naidu (Associate Professor, Department of Economics, Wright State University)

Cartoons – Rebel Politik (https://rebelpolitikblog.com/)

এই লেখাটি বাংলায় পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন।

This is the first of a series of short articles on Economics with an intention to demystify various basic terms and concepts related to Economics that we encounter everyday in news papers and other media forums as well as our conversations. And yet, these terms and concepts may not have been entirely clear to some of us. This, on a macro level, allows a leeway to governments and the corporate sector to mislead us into believing wrong information regarding development and our own socio-economic welfare. Dear reader, we will be happy to receive your feedback against this series.

The Modi government has ostensibly won the support of a large proportion of the Indian population on its promise to increase India’s economic growth. This promise, however, is not unique to the current government, but has featured in the top priorities of many governments at least since the 1990s. But how do we understand economic growth?

What is economic growth? What does it measure?

In order to understand economic growth, we must first grasp the concept of GDP (gross national product), which quantifies the level of economic activity in any nation. In India, the Central Statistical Organisation (CSO) estimates GDP. Specifically, GDP attempts to measure the rupee value of economic activity measured in terms of goods and services produced for the final consumer in a particular year, which means multiplying the price of a particular final good or service in a particular year and multiplying it by the quantity in the same year and summing this value across all final goods and services. This gives us what is known as nominal GDP. Calculating the rupee value of economic activity for the ‘final consumer’ eliminates the problem of double counting.

Continue reading

‘স্বভাব কলকাতা’র বন্ধুদের সাথে আড্ডা

প্রথম প্রকাশ – আয়নানগর কলকাতা বইমেলা ২০১৭ 

“গত কয়েক বছরে কাজ করতে গিয়ে, আজকের সময়ে দাঁড়িয়ে কিভাবে একটি ভিন্নধারার সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তোলা যায়, তা নিয়ে আমাদের বহু ব্যক্তি ও সংগঠনের সাথে কথাবার্তা হয়েছে।  স্বভাব কলকাতার বন্ধুরা তার মধ্যে অন্যতম।  যদিও আয়নানগর টিমের অনেকের সাথেই স্বভাব কলকাতার অনেকের ব্যক্তিগতভাবে আগে থেকেই একধরনের পরিচয় ও বন্ধুত্ব ছিল।  যেমন বন্ধুত্ব থাকে আর কি ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো জনগণের মধ্যে।

স্বভাব কলকাতা মূলত একটি থিয়েটার দল।  ওদের কাজকর্মের বিস্তৃত বিবরণ পাওয়া যাবে নিচের এই সাক্ষাৎকারটির মধ্য দিয়ে।  কাজেই, একটি দীর্ঘ প্রাক-কথার মধ্য দিয়ে পরিচয়পর্বটা আর প্রলম্বিত করব না।  “সাক্ষাৎকার” ঠিক সেইভাবে নিচের আলাপচারিতাকে বলা যাবে কিনা জানি না।  বরং, প্রলম্বিত আড্ডা বলাই বোধহয় ভালো।  কথা হয়েছিল দুই পর্যায়ে –   ২০১৪ সালের  গ্রীষ্ম কালে ও ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। পাঠকের সুবিধার্থে কিছুটা সম্পাদনা করা হয়েছে, যাতে করে আমাদের আড্ডার অগোছালোপনা থেকেও একটা মোটামুটি সুসংহত বক্তব্য বেরিয়ে আসে। ” –  আয়নানগর (নন্দিনী, প্রমোদ)

প্রথম পর্ব

স্বভাব কলকাতা

আয়নানগর : তোমাদের যা স্কিল আছে তাতে ইচ্ছে করলে অনেক সহজে কলকাতার অন্য কোনো দলের সাথে নাটক করতে পারতে।  সেটা না করে কেন ‘স্বভাব’, কেন আরেকটি থিয়েটার দল? কেন অন্যভাবে থিয়েটার করার প্রচেষ্টা? এখন সেখানে তোমাদের তিনজনের ব্যক্তিগতভাবে বিকাশের যে পথ, সেখানে তোমাদের আগের কাজকর্ম, অভিজ্ঞতা এবং সেখান থেকে একসাথে হওয়া—কিছুটা ‘স্বভাব’-এর যে জেনেসিসের গল্প, সেটা একটু বলো।

অঙ্কুর (বর্তিকাকে) : ‘স্বভাব’টা তুমি যেভাবে শুরু করেছিলে, সেটা বল। আমার ওখানে এসে পড়া, পার্থ কিভাবে এসে পড়ল—সেগুলোয় তারপরে ঢুকব।

বর্তিকা : ‘স্বভাব’ শুরু করেছিলাম ২০০৮-এ। সেইসময় একটা ক্রিয়েটিভ লার্নিং সেন্টার হিসেবে জিনিসটাকে দেখা হয়েছিলো। আমার ব্যক্তিগত জীবনে আমি যেভাবে বড় হয়েছি—খুব শেলটারড এনভায়রনমেন্ট, একটা কুকুন—যদিও বেড়ে উঠছি শহরের মধ্যেই। সেখানে আমি জাস্ট গাড়ি থেকে শহরটাকে চিনতাম। জাস্ট তোমার ওই পার্কস্ট্রীট, বালিগঞ্জ, আলিপুর—ওই কয়েকটা এলাকা। তো একটা সময় মনে হয়েছিলো, দরকার আছে শহরটাকে অন্যভাবে চেনা-জানা-দেখার। আসলে পড়াশুনো করার পর একটা সময় এলো যখন মনে হচ্ছিলো আমি কিছুই জানি না। অথচ আমি খুব ভালো স্টুডেন্ট ছিলাম, অলরাউন্ডারও বলতে পারো। কিন্তু যেটা বোঝা গেলো, যে আমি কোনো হাতের কাজ জানি না, শুধু মাথাটা ইউজ করতে জানি। কিন্তু বাড়িতে যেহেতু—রান্না হোক, জামাকাপড় ধোয়া হোক—সবকিছুর জন্য লোক ছিলো, তাই কখনো কিছু করতে হয়নি। তো আমি চাইছিলাম একটা স্পেস, যেখানে আমি আরও সেলফ-সাফিশিয়েন্ট হতে পারি। আর এটা আমার একার স্পেস হবে না, আরও বিভিন্ন লোকেরা এসে সেলফ-সাফিশিয়েন্ট, ইন্ডিপেন্ডেন্ট হতে পারবে। এই শহরে থেকেও কিভাবে অন্যভাবে বাঁচা যায়… মানে আমরা যেভাবে ওয়েস্ট জেনারেট করছি, প্রকৃতি থেকে যেভাবে আলাদা হয়েছি—এসবও আমাকে বদার করতো।

Continue reading