ঘরে ফেরার গান

ল্যাংস্টন হিউজ (হোম) / অনুবাদ – সুস্মিতা সরকার

 

সঙ্গে অনেকগুলো ব্যাগ আর বেহালার বাক্স নিয়ে ছেলেটা ফিরল। সেসব ব্যাগ আর বাক্স জুড়ে নানারঙের কাগজ সাঁটানো। আর কাগজে অদ্ভুত সব ভাষায় কীসব যেন লেখা। ওগুলো আসলে দেশবিদেশের কাস্টমস অফিসের ছাপ। এছাড়াও ইউরোপের যেসব বড় বড় হোটেলে সে থেকেছে সেখানকার স্টিকার। আর আছে যে স্টিমারে করে এই লম্বা সমুদ্র পাড়ি দিয়ে হকিন্সভিল ফিরেছে তার ছাপ। এমনিতে দেশে কারো সাধ্য নেই সেসবের মানে উদ্ধার করে। তবে এতসব ঝকমকে রঙিন কাগজের ঠেলায় চামড়ার রঙের ব্যাগ আর কালো রঙের বেহালার বাক্সের চেহারাই বদলে গিয়েছে। ওগুলো এখন বেশ ঝলমলে আর মজাদার সার্কাসের মতন দেখাচ্ছে। ব্যাগের চেহারা দেখে ট্রেনে যেসব সাদা চামড়ার লোকজন ছিল তারা সবাই হতবাক! ব্যাগ আর বাদামি চেহারার তরুণ ব্যাগের মালিক দুইই ওদের অবাক করে দিয়েছিল। আর শেষপর্যন্ত যখন সে সবকিছু নিয়ে মিসৌরির রেলস্টেশনে নামলো, স্টেশনে গুলতানি মারা বকাটে ছেলেগুলো সব ওর দিকে হাঁ করে দেখছিল। 

রয় উইলিয়ামস বিদেশ থেকে ঘরে ফিরছে। ওর নিজের আত্মীয়স্বজন, মা, বোন, ভাই সবাই এখনও সেই পুরনো শহরের বাড়িতেই থাকে। প্রায় সাত আট বছর ধরে পৃথিবীর নানান প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়েছে ও। এখন যখন নিজের বাড়িতে ফিরছে, তখন পরনের জামাকাপড় ধোপদুরস্ত হলেও ভারি রোগা লাগছে ওকে। শরীরটা ভালো নেই ওর। 

Continue reading